এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭- এর চূড়ান্ত সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশিত হয়েছে! নিচে ক্লিক করে রুটিনটি দেখে নাও।
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭৭ হাজারের বেশি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলেও বর্তমানে তা থমকে আছে। ‘৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’ (যা ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হতে পারে) প্রকাশের জোর প্রস্তুতি থাকলেও মূলত তিনটি প্রধান কারণে এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) এখন পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করতে পারছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিয়োগের তোড়জোড় শুরু হলেও এখনই কোনো সুখবর দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তির পথ আটকে থাকা তিনটি প্রধান কারণ হলো:
১. নতুন সিলেবাসের অনুমোদন: ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে নতুন ও সংশোধিত সিলেবাস প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। এই সিলেবাসটি বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
২. নিয়োগের নীতিমালা জারি: নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এই নীতিমালাটি এখনও সরকারিভাবে জারি করা হয়নি। নীতিমালার অবর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়ার আইনি ও প্রশাসনিক ভিত্তি দুর্বল থাকায় কাজ এগোচ্ছে না।
৩. শীর্ষ নেতৃত্বে স্থবিরতা: এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে রাজা মো. আব্দুল হাই নিয়োগ পেলেও তিনি নিয়মিত অফিস শুরু না করায় প্রশাসনিক কাজে গতি আসেনি। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও ফাইল অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দিচ্ছে।
এনটিআরসিএর তথ্যমতে, এবারের বিজ্ঞপ্তির জন্য সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে সহকারী শিক্ষকের (৪৪,৬৯১টি)। এছাড়া মাদ্রাসা, কারিগরি ও কলেজ পর্যায়েও বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে অনেকগুলো কাজ সম্পন্ন করার বাকি আছে। সেগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীদের আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
এদিকে বছরের পর বছর নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা হাজারো চাকরিপ্রার্থী দ্রুত এই জটিলতা কাটিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস
প্রকাশের তারিখ: ১৩ মে, ২০২৬
"বি.দ্র. এটি এনটিআরসিএ-এর বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে একটি প্রতিবেদন। নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত চেক করার অনুরোধ রইলো।"